মালদা

কর্মচারীর অভাব। তাই বাজারে চাহিদা থাকলেও পরিমান মতো তৈরি করতে পারছেন না মোমবাতি

পর্যাপ্ত পরিমানে পাওয়া যাচ্ছে না মোমবাতি তৈরি করার কর্মচারী। ফলে মোমবাতির চাহিদা থাকলেও কর্মচারীর অভাবে সেই চাহিদা পুরন করতে হিমসিম খাচ্ছেন মোমবাতি কারখানার মালিক। যার জন্য ব্যাবসাতেও ক্ষতি দেখা দিয়েছে। 

        কারখানার মালিক রতন সাহা জানান, বাবার আমল থেকে করে আসছেন এই কাজ। এমনকি তিনি নিজে প্রায় ৬০ বছর ধরে তাদের উড়োজাহাজ নামে মোমবাতি তৈরির কাজের সাথে যুক্ত। তাদের কাছে রয়েছে অনেক রকমের মোমবাতি যেমন- জাহাজ মোমবাতি যা জলে দিলে ভাসবে, পদ্ম ফুল, গাঁদা ফুল, এছাড়াও ২৪কাঠি, ৩২কাঠি এমন কি ৯শো গ্রাম ওজনেরও মোমবাতি রয়েছে। তৈরি করা হয়েছে কিন্তু পরিমানে কম। কর্মচারীর অভাবে তৈরি হচ্ছে না মোমবাতি ফলে অনেক ক্রেতাকে ঘুড়িয়ে দিতে হচ্ছে। তিনি বলেন এবছর মোমবাতির চাহিদা আছে। কারন প্রতি বছর চাইনা লাইটের জন্য মোমবাতি তেমন ভাবে মানুষ নিত না। কিন্তু এবছর হয়তো চাইনা লাইট তেমন ভাবে পাওয়া যাচ্ছে না তাই হয়তো মোমবাতির চাহিদা বেড়েছে। মোমবাতি তৈরির সরঞ্জাম তারা নিয়ে আসেন কলকাতা, শিলিগুড়ি থেকে। আগে মালদার বাইরে যেত এখন বাইরে বহু কারখানা তৈরি হওয়ায় বর্তমানে পুরো মালদা জেলাতে তাদের কারখানার মোমবাতি সরবরাহ করা হয়। এছাড়াও কিছু কিছু পাইকার বাজার থেকে মোমবাতি নিয়ে গিয়ে জেলার বাইরেও বিক্রি করে।